মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট নিয়ে বিআরটিএ’র নতুন সিদ্ধান্ত
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
৩০-১০-২০২৬ ১১:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
৩০-১০-২০২৬ ১১:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
ফাইল ছবি
মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানোর বেধে দেওয়া সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
জানা গেছে, বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট যুক্ত করার বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।
বিআরটিএ চেয়ারম্যানের পাঠানো বিবেচ্যপত্র অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যার প্রায় ৭৪ শতাংশ বা প্রায় ৫০ লাখই মোটরসাইকেল। এত বিশাল পরিমাণ মোটরসাইকেলের সামনে স্বল্প সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজন করা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ।
বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মোটরসাইকেল চালক ও মালিকদের নানা মতামত ও আলোচনা সামনে আসে।
এসব দিক বিবেচনায় নিয়েই সময়সীমা বাড়ানোর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট যুক্ত করে প্রদর্শন করতে হবে।
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ অনুযায়ী, বাইকের পেছনে আগেই আরএফআইডি সংবলিত উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব প্লেটে নম্বর প্রদর্শনের নিয়ম রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এখন সামনেও নম্বরপ্লেট লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়।
বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী—
স্কুটারের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার।
অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার।
উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা অন্তত ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
নম্বরপ্লেট হতে হবে স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি।
সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর কালো রঙে বাংলা হরফ ও সংখ্যা লিখতে হবে, যাতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত নকশা বা শোভাবর্ধক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না।
স্কুটার বাদে সাধারণ বাইকের ক্ষেত্রে নম্বরটি সোজাসুজি এক লাইনে বসানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক অবস্থায় বাইক মালিকদের নিজ দায়িত্বে এসব শর্ত মেনে সামনের নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে এই কাজ সম্পন্ন না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। তবে বর্তমান বাস্তবতায় সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স